শনিবার (৭মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানে হয়।
বিজ্ঞপ্তি হতে জানা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪ অনুসারে থানায় প্রাপ্ত আমলযোগ্য অপরাধের প্রাথমিক তথ্যে উপরোক্ত আসামিদের নাম উল্লেখ থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী শৃঙ্খলা বিধির 15(b) ধারা অনুযায়ী তাদেরকে চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে বরখাস্তকালীন সময়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক জীবন ধারণ ভাতা পাবেন।
এছাড়া, পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটিতে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. গোলাম মওলাকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান।
শিক্ষিকাকে নিজ অফিস কক্ষে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের সঠিক ও প্রয়োজনীয় রিপোর্ট দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রদানের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এ কমিটি গঠন করেন।
এ বিষয়ে কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানূর রহমান বলেন, 'আমি চিঠি পেয়েছি। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ বিষয়ে মিটিং দিয়েছি এবং সদস্য সচিবকে কমিটির সদস্যদের চিঠি দেওয়ার জন্য বলেছি।'
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, 'একজন কর্মকর্তা ও ২ জন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হত্যা মামলার আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ট হতে পারে না। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটিও গঠন করেছেন।'
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (৪ মার্চ) আনুমানিক বিকাল ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে আসমা সাদিয়া রুনার নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকেও আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেছেন বলে জানান চিৎকার শুনে উদ্ধার করতে যাওয়া আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় হাসাপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।