রোববার (১০ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ছাত্ররাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এখন আর জোর করে শিক্ষার্থীদের মিছিল-মিটিংয়ে নেওয়া, গণরুম কিংবা গেস্টরুমে নির্যাতনের মতো ঘটনা দেখা যায় না।
তিনি বলেন, 'গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছিল। তাদের ধারণা ছিল, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও হয়তো প্রকাশ্যে রাজনীতি করার সুযোগ মিলবে না।'
রাশেদ খাঁন বলেন, 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা একের পর এক আত্মপ্রকাশ করেছে এবং অনেকেই সেটিকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে প্রকাশ্যে রাজনীতির চেয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে গোপনে থাকার মধ্যেই তারা বেশি সুবিধা খুঁজে পেয়েছে।'
রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে কলেজ ক্যাম্পাস উত্তাল হয়ে উঠেছে। কিন্তু আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেককে নেকাব বা মাস্ক পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে। অথচ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীরা স্বাভাবিক পোশাকে রাজপথে নেমেছিলেন এবং নিজেদের পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেননি।'
পোস্টে ইডেন কলেজসংলগ্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর রাস্তার দুই পাশে বসে থাকা যুগলদের বিষয়েও মন্তব্য করে রাশেদ খাঁন বলেন, 'এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে আন্দোলন হলে সাধারণ মানুষ তা সাধুবাদ জানাবে।'
সবশেষে তিনি বলেন, 'ছাত্ররাজনীতি নয়, বরং অপসংস্কৃতিই নিষিদ্ধ হওয়া উচিত।'