টাইমস অব ইসরায়েলের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি অনুযায়ী ইসরায়েল গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ রেখেছে। নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা মূলত গাজা সিটিকে কেন্দ্র করে হামাসকে দুর্বল করতে চায়। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে ব্যর্থতা তুলে এই নীল নকশা প্রণয়ন করেছেন।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, 'তারা গাজার বেসামরিক প্রশাসনকে একটি নির্দলীয় টেকনোক্র্যাট কমিটির হাতে হস্তান্তর করতে প্রস্তুত। তবে ইসরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বাহিনী গঠনে বাধা দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্কের অংশগ্রহণকে কঠোরভাবে অবরোধ করার কারণে পাকিস্তান, সৌদি আরব, আজারবাইজান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো সৈন্য পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছে।'
গাজার মানবিক পরিস্থিতি এখন চরম শোচনীয়। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে ২০ হাজার শিশুসহ ৭১ হাজার ৪০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে গত তিন মাসে ইসরায়েলি বাহিনী অন্তত ১ হাজার ২০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ৪৩৯ জনকে হত্যা করেছে।
এছাড়া, ঘূর্ণিঝড় বায়রনের কারণে বন্যা ও তীব্র শীতে লাখ লাখ মানুষ জরুরি আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে পড়েছে।
‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স’সহ ৩৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থা সতর্ক করেছে, যদি ইসরায়েল তাদের গাজা ও পশ্চিম তীরে কাজ করতে না দেয়, তবে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যসেবার সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।