গাজায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি হত্যার কথা স্বীকার ইসরায়েলের

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:২৮
গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার তথ্য প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে ইসরায়েল।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম।

দীর্ঘদিন ধরে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নিহতের পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসলেও এবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও নিজস্ব হিসাবেই প্রায় একই ধরনের সংখ্যা মেনে নিয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল দাবি করত, হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়। তবে জাতিসংঘ শুরু থেকেই ওই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়ে আসছিল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার গাজাবাসী প্রাণ হারিয়েছেন। তবে এই সংখ্যার মধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। নিহতদের মধ্যে কতজন সশস্ত্র যোদ্ধা এবং কতজন বেসামরিক নাগরিক, তা নির্ধারণে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানতে চাইলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, গাজায় নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৭১ হাজার ছাড়িয়েছে। গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির পর থেকে নতুন করে অন্তত ৪৮০ জন নিহত হয়েছেন।

গাজা কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতদের বড় অংশই নারী ও শিশু। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষ এখনও নিহতের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে নিহতদের নাম ও বয়সসহ বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ চলছে। বিশেষ করে গাজায় কবরস্থান ধ্বংসসহ বিভিন্ন ঘটনার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের এই স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে দেশটির বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। একই সঙ্গে গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জরুরি মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

সূত্র: রয়টার্স

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবিতে হেফাজতে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিব সদ্য. সারাদেশে একযোগে ৯৯ বিচারককে বদলি সদ্য. শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে সরকার কি উদ্যোগ নিয়েছে- জানতে চাইল সংসদীয় কমিটি সদ্য. আগামী মাস থেকে বাংলা কিউআরে সঙ্গে সঙ্গেই টাকা পাবেন বিক্রেতা সদ্য. বজ্রপাতে তিন জেলায় ৪ জনের মৃত্যু সদ্য. ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৮ হাজার সদ্য. আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. বেনামি গণমাধ্যমের ফটোকার্ডে দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী সদ্য. মক্কা চুক্তির পরপরই সৌদিতে হুতিদের হামলা, কঠিন পরীক্ষায় পাকিস্তান-তুরস্ক সদ্য. আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর তথ্য ও নথি চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি সদ্য. জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবিতে হেফাজতে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিব সদ্য. সারাদেশে একযোগে ৯৯ বিচারককে বদলি সদ্য. শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে সরকার কি উদ্যোগ নিয়েছে- জানতে চাইল সংসদীয় কমিটি সদ্য. আগামী মাস থেকে বাংলা কিউআরে সঙ্গে সঙ্গেই টাকা পাবেন বিক্রেতা সদ্য. বজ্রপাতে তিন জেলায় ৪ জনের মৃত্যু সদ্য. ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৮ হাজার সদ্য. আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. বেনামি গণমাধ্যমের ফটোকার্ডে দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী সদ্য. মক্কা চুক্তির পরপরই সৌদিতে হুতিদের হামলা, কঠিন পরীক্ষায় পাকিস্তান-তুরস্ক সদ্য. আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর তথ্য ও নথি চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি