পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। নতুন নাটক ‘দার-ই-নিজাত’-এ তাঁর ইংরেজি সংলাপ বলার ধরন নিয়ে শুরু হওয়া সমালোচনা একপর্যায়ে ব্যক্তিগত আক্রমণে গড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে সহশিল্পীর পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী সানাম সাইদ। ব্যক্তিগত আক্রমণের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান নিয়ে এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সানাম সাইদ লেখেন, ‘কোনো শিল্পীর উচ্চারণ কিংবা উপস্থাপনা নিয়ে এভাবে মেতে ওঠা অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও অযৌক্তিক। যেভাবে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে তাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে, তা এক ধরনের নির্মমতা এবং মানুষের প্রতি অসংবেদনশীল আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ।’
দার-ই-নিজাত’ ধারাবাহিকে দুরেফিশান অভিনীত ‘জারিয়াব’ চরিত্রটি একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, যে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চিত্রনাট্যের স্বার্থেই চরিত্রটিকে উর্দু ও ইংরেজির মিশ্রণে কথা বলতে দেখা যায়।
যদিও নেটিজেন ও নাট্যপ্রেমীদের বড় একটি অংশ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন। তাদের দাবি, সমস্যাটি কেবল অভিনেত্রীর উচ্চারণে নয়, মূল দুর্বলতা নাটকের বুনন ও সংলাপে।
অনলাইনে এক দর্শক মন্তব্য করেছেন, ‘একটি চরিত্রের প্রাণ হলো তার সংলাপ। চিত্রনাট্যেই যদি দুর্বলতা থাকে, তবে কোনো শিল্পীর পক্ষেই সেই চরিত্রকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা কঠিন ‘ অন্য আরেক দর্শকের মতে, ‘এখানে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে ছোট করা হচ্ছে না। চিত্রনাট্যের ভুলত্রুটি ধরে দেওয়াকে নেতিবাচকভাবে না দেখে গঠনমূলক সমালোচনা হিসেবে দেখা উচিত।’
নাটকে অভিনয়শিল্পীদের মূল কাজ দর্শককে চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম করা। সেখানে কাজের ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা হওয়া স্বাভাবিক। তবে সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত আক্রমণ কতটা যৌক্তিক সানাম সাইদের এই প্রশ্ন এখন পাকিস্তান বিনোদন অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইশক মুর্শেদ নাটকে বিলাল আব্বাসের বিপরীতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান দুরেফিশান সেলিম। সম্প্রতি তাকে কাফিল ধারাবাহিকের জে চরিত্রেও দেখা গেছে।
সদ্য সংবাদ/এসআর