বুধবার (১৫ এপ্রিল) সংস্থাটির সংবাদ সম্প্রচারে এই পরিকল্পনার ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
বিবিসির অন্তর্বর্তীকালীন মহাপরিচালক রড্রি ট্যালফান ডেভিস কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, 'বিস্তারিত বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মোট কর্মসংখ্যা ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার পর্যন্ত কমে যেতে পারে।'
এএফপিকে পাঠানো আরেক বিবৃতিতে তিনি জানান, বিবিসি বর্তমানে ‘উল্লেখযোগ্য আর্থিক চাপের’ মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সংস্থাটিকে তাদের প্রায় ৫ বিলিয়ন পাউন্ড পরিচালন ব্যয় থেকে ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ড কমাতে হবে, যার বড় অংশ ২০২৭ ও ২০২৮ সালের মধ্যে সাশ্রয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার এবং দর্শকদের পরিবর্তিত অভ্যাস গণমাধ্যম খাতকে অস্থির করে তুলেছে, যার প্রভাব বিবিসির এই সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে।
উল্লেখ্য, বিবিসির প্রধান অর্থায়ন আসে লাইসেন্স ফি থেকে, যা প্রদান করে দর্শক-শ্রোতারা তাদের সেবা গ্রহণ করেন।
ওই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, লাইসেন্স ফি আয়ের ওপর চাপসহ অন্যান্য কারণে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে মোট ব্যয় আরও ১০ শতাংশ কমাতে হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে, কঠিন এসব সিদ্ধান্তের ফলে কনটেন্ট ও সেবায়ও কাটছাঁট হতে পারে।