প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি ভিডিও বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী আত্মসমর্পণ না করলে তাদের সমূলে বিনাশ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও নৌবাহিনী ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছেন। ভাষণে ট্রাম্প ইরানের বিভিন্ন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আহ্বান জানান।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলাকে 'সন্ত্রাসী শাসনগোষ্ঠী থেকে অস্তিত্বের হুমকি দূর করার যুদ্ধ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষিতে দেশজুড়ে মনোযোগ ঘোরাতে এই যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। আদালতে নিজের শুল্ক নীতি সংক্রান্ত পরাজয় ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে চলা বিতর্কও তার প্রভাবিত করার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
এদিকে, যুদ্ধ শুরুর মাত্র ১০ দিন আগে ট্রাম্প ওয়াশিংটনে ‘শান্তি পর্ষদ’ উদ্বোধন করেছিলেন, যেখানে তাকে ‘বিশ্ব শান্তির দূত’ হিসেবে প্রশংসা করা হয়েছিল। কিন্তু তার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইতিহাসের ইরাক যুদ্ধের পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর চাক শুমার বলেন, 'ট্রাম্প ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সংকটে ভারসাম্য হারাতে পারেন। ইরানের ওপর এই হামলা তার হঠকারিতা ও অভিজ্ঞতার অভাবের প্রমাণ।'