এর আগে সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া সারাদেশের জেলা প্রশাসকরা সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।
সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারণী দিকনির্দেশনা তুলে ধরছেন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি প্রথম ডিসি সম্মেলন।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির জানান, এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩০টি কার্য অধিবেশন এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা ৫৬টি।
সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে মোট ৪৯৮টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ৫৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা নিজ নিজ খাতভিত্তিক বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।