কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুই নেতাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। একই দিন বিকেলে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জোরারগঞ্জ থানার ওসি আবদুল হালিম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বারইয়ারহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. আবু সুফিয়ান প্রকাশ লাতু কমিশনার (৬২) এবং পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ইমামুল ইসলাম প্রকাশ লিটন (৪৫)। আবু সুফিয়ান বারইয়ারহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর গ্রামের মো. আব্দুল হকের ছেলে এবং ইমামুল ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সোনাপাহাড় গ্রামের মৃত শাহাদাত হোসেনের ছেলে।
এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় ইছাখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীগ্রাম এলাকার মৃত সুতীশ চন্দ্র জলদাসের ছেলে হরি মোহন দাস (৬০), তার ছেলে সুজন দাস (২৬), করেরহাট ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কয়লাবাজার এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া (৪৩), থানার এজাহারনামীয় আসামি পশ্চিম সোনাই এলাকার মো. সিরাজের ছেলে মো. সবুজ (৩৫), গেরামারা এলাকার নুর উদ্দীনের ছেলে মো. মুসা, চুরি মামলার আসামি জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. আজিজ (৩৫) এবং সিআর মামলার আসামি কাটাছড়া ইউনিয়নের আমির হোসেনের ছেলে মো. রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুই নেতাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।