চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি গণেশ (১৯)কে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার গণেশ কোতোয়ালি থানাধীন সেবক কলোনির বাসিন্দা এবং শরিফ দাশের ছেলে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরের কোতোয়ালি থানাধীন লালদীঘি এলাকার জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গণেশ দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শুরুতে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। ২৫ আগস্ট চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালত শুনানি শেষে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন।
তদন্তের সময় গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে নতুন করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, 'গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরের কোতোয়ালি থানাধীন লালদীঘি এলাকার জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গণেশ দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শুরুতে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। ২৫ আগস্ট চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালত শুনানি শেষে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন।
তদন্তের সময় গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে নতুন করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, 'গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'