প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে হুমায়ুন কবির বলেন, 'বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও সময়পরীক্ষিত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান–এর সময় থেকে এই সম্পর্কের ভিত্তি সুদৃঢ় হয় এবং ধারাবাহিকভাবে তা আরও শক্তিশালী হয়েছে। বর্তমান সরকারও সেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে কাজ করবে।'
তিনি আরও বলেন, 'চীন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। অবকাঠামো, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কীভাবে আরও জোরদার করা যায় এবং নতুন মাত্রায় নেওয়া যায়, সে বিষয়ে উভয় দেশ কাজ করবে।'
আসন্ন সময়ে উচ্চপর্যায়ের সফর ও পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক রূপ পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।