স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (২৯ মার্চ) রাতে এলাকার একটি চায়ের দোকানে সিগারেট ধরানো নিয়ে কথাকাটাকাটির সূত্রপাত হয়। তর্ক-বিতর্ক একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং পরে তা দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষে পরিণত হয়। এতে একই পরিবারের তিনজন আহত হন।
এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, একই গ্রামের মাইনুউদ্দিন মাষ্টার (৫৮), সুমন মিয়া (২৯), আবদুল কাদের (২৬), আব্দুল রাজ্জাক (৩৫), আব্দুল্লাহ (২২), তানভীর (২৩), নাজমুল মিয়া (২২) ও সালাউদ্দিন (৩০)। তবে মামলা হওয়ার পরও এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
৫ম আসামি মো. আব্দুল্লাহর মা বলেন, আমার ছেলের সাথে ছোট একটা বিষয় নিয়ে সাইফুলের সাথে ঝামেলা হয়, পরে আমার ছেলের উপর সাইফুল তার পরিবার নিয়ে আক্রমণ করে, পরে আমার ছেলেও তার সাথে লোকদের নিয়ে আক্রমণ করে।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইনুউদ্দিন মাষ্টার ও তার ছেলে আব্দুল রাজ্জাক এর হুকুমে আব্দুল্লাহ সহ আরো কয়েকজন আমাদের উপর দেশীয় অস্ত্র ধারালো ছুরি নিয়ে আমাদের উপর আক্রমণ চালায়, আমার ভাতিজা সাইফুল কে গুরুতর আহত করে এক হাত কোপ দিয়ে কেটে ফেলে, সে এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি আছে। পরে আমরা আটজনের নামে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মামলা করি।
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এখনো তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তারা আরও জানান, আসামিদের অবাধ চলাফেরায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।