স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপি নেতা আবুল হোসেনের মাতা পাঁচ দিন পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন। মঙ্গলবার মায়ের কুলখানির অনুষ্ঠান ছিল। সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মায়ের কুলখানি অনুষ্ঠানের জন্য গরু জবাই করা হয়। সেই সময় জবাইকৃত গরুর রক্ত পরিষ্কার করতে গিয়ে নারিকেল গাছে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে অসাবধানতাবশত স্পর্শ লাগলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে নবীনগর সরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বাড়ি ঘিরে শত শত মানুষের ভিড় জমে ওঠে।
বিএনপি নেতার মৃত্যুতে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে। দলীয় নেতারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক তার ও সংযোগ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৫ নবীনগর আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, 'মো. আবুল হোসেন ছিলেন দলের একজন নিষ্ঠাবান, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। মায়ের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তার চলে যাওয়া আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালা যেন পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দেন।'
তিনি আরও বলেন, 'এ ধরনের দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতে যেন এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।'
সদ্য সংবাদ/মমিনুল হক রুবেল