নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, দলের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব ওরফে শ্যামল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের স্মরণে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, 'শিক্ষার্থীরা সামনে থেকে নেতৃত্ব না দিলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান কখনোই সম্ভব হতো না। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পেছনেও মূল ভূমিকা রেখেছে ছাত্রসমাজ। শিক্ষার্থীরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে বিভিন্ন শক্তি নেপথ্য থেকে তাদের সহায়তা করেছে।'
তিনি বলেন, 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আজ কিছুটা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গায় এখনো ফ্যাসিস্টদের প্রভাব দৃশ্যমান। অতীতের দুঃশাসন যেন আর ফিরে না আসে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, '২০২৪ সালের জুলাই মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষার্থীরা যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা শুধু জেলায় নয়, সারা দেশেই আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিল। ছাত্রদলে যোগদানকারী এই বিপ্লবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তোলা হবে।'
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই যে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তা ছিল সময়োপযোগী ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।'
জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল হোসেন চপলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজিদুর রহমান, সাবেক সহসভাপতি মোকাররম হোসেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক মোহাইমিনুল আজবীন, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষার্থী আশীষ ভৌমিক ও তন্নী আক্তার, সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিম উদ্দিন এবং ছাত্র সংগঠক সৈয়দ মোহাম্মদ আলী।