রোববার (২৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তিনি।
বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, 'দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। লুটেরা মাফিয়ারা ব্যাংক লুট করে নেওয়ার পর সাতটি রগ্ন ব্যাংককে একত্রিত করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও মাত্র ৬ হাজার কোটি টাকার জন্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলো বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।'
তিনি অভিযোগ করেন, পিপিপি আইনের আওতায় চুক্তি সম্পাদনের পর প্রকাশে কোনো বাধা না থাকলেও সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এসব চুক্তির শর্ত গোপন রাখছে। কোন স্বার্থে এই গোপনীয়তা, সেই বিষয়েও প্রশ্ন রাখেন তিনি।
বাসদের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, 'লালদিয়ার চরে বন্দর নির্মাণ, পানগাঁও কন্টেইনার টার্মিনালের ইজারা এবং নিউমুরিং, পতেঙ্গা ও মংলা বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা দেশের সার্বভৌম স্বার্থের পরিপন্থী। আগামী ৩ ডিসেম্বরের ভেতর এসব ষড়যন্ত্রমূলক চুক্তি বাতিল না হলে ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।'
এছাড়া, আগামী ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের বন্দরের চারপাশের সড়ক অবরোধ কর্মসূচির প্রতিও একাত্মতা প্রকাশ করেন তিনি।
বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিপিবি সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।