এরই মধ্যে তারেক রহমানের জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছেছে একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি। সকাল ৭টার কিছুক্ষণ আগে গাড়িটি বিমানবন্দরে প্রবেশ করে। এই গাড়িতেই বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
এর আগে, গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টায় লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। এ সময় যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে বিদায় জানান। পরে তিনি ‘চেক-ইন’ সম্পন্ন করে রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
একই ফ্লাইটে দলের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মীও বাংলাদেশে ফিরছেন। ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে।
ঢাকায় পৌঁছে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দলের সিনিয়র নেতা ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন। সেখান থেকে তিনি সরাসরি রাজধানীর অদূরে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজন করা হয়েছে বিশাল সংবর্ধনা। ভোরের তীব্র শীত উপেক্ষা করেই সেখানে জনসমাগম ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কুড়িল এলাকা থেকে শুরু করে সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।
সারা দেশ থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। স্লোগান, প্ল্যাকার্ড ও উচ্ছ্বাসে মুখর পরিবেশে সবার কণ্ঠে একটাই ধ্বনি—‘লিডার আসছে’। পুরো আয়োজন যেন রূপ নিয়েছে এক উৎসবমুখর জনসমাবেশে।