বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও বিতর্কহীন হয়, তাহলে ফলাফল মেনে নিতে কোনো আপত্তি নেই। তবে নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হতে হবে। ভোটকে ঘিরে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানো হলে সেই ফলাফল মেনে নেওয়া হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। এর আগে গুলশান মডেল স্কুলে নিজের ভোট প্রদান শেষে তিনি রাজধানীর কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে গুলশানে তার কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও বিতর্কহীন হয়, তাহলে ফলাফল মেনে না নেওয়ার কোনো কারণ নেই এবং সব রাজনৈতিক দলই তা মেনে নেবে। তবে শর্ত একটাই—নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ। তিনি বলেন, যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখা যাচ্ছে এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে, সেগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, এ দেশের প্রকৃত মালিক সাধারণ জনগণ। তারা যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এবং ভোটের হার বাড়ে, তাহলে সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
সারাদেশে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের সম্পর্কে জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। কারণ এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভালো নয় এবং এর মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভোটের ফল গণনায় দেরি হওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ফল গণনায় দেরি হওয়ার কোনো কারণ তিনি দেখছেন না। মানুষের প্রত্যাশা দ্রুত ফল জানার, তাই নির্বাচন কমিশন জনগণের সামনে দ্রুত ফল প্রকাশের চেষ্টা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, ফল প্রকাশের একটি নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে এবং সেই সময়ের মধ্যেই জনগণ ফলাফল জানতে পারবে।
এ সময় ঢাকায় ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।