সামিটে গৃহীত ঘোষণায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে বৈশ্বিক ঐকমত্যের প্রতিফলন ঘটেছে। ‘সবার কল্যাণে, সবার সুখে’ নীতিকে সামনে রেখে ঘোষণাপত্রে এআইয়ের সুফল মানবজাতির মধ্যে সমভাবে বণ্টনের ওপর জোর দেওয়া হয়।
সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ বাংলাদেশ।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সমাপ্ত হওয়া এই সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পখাতের নেতা, উদ্ভাবক, নীতিনির্ধারক ও স্টার্টআপ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আয়োজকদের তথ্যমতে, এতে ৫০০-এর বেশি এআই খাতের নেতা, ১০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক এবং প্রায় ৪০০ জন প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সাধারণ দর্শনার্থীর অংশগ্রহণও ছিল উল্লেখযোগ্য; পাঁচ লাখের বেশি মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সামিটটি শিল্পখাতের নেতৃত্ব ও উদ্ভাবকদের জন্য একটি যৌথ সংলাপের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। এখানে এআই-চালিত নতুন সমাধান উপস্থাপন ও বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
আকাশবাণী নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সদস্য সোনাক্ষী বর্ষ্ণী বলেন, 'এই সামিট এআই খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের একত্রিত করেছে এবং পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা দিতে সক্ষম এআই-ভিত্তিক উদ্যোগ প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করেছে।'
অন্যদিকে, আইআইটি রোপারের পরিচালক অধ্যাপক রাজীব আহুজা বলেন, 'ভারতের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের তরুণদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, কৃষি খাতের উন্নয়ন ও কৃষকদের সহায়তায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করেছে এই সামিট।'