ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। একাধিক আক্রমণ তৈরি করলেও গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দৃঢ়তায় এগোতে পারেনি তারা। মার্কাস রাশফোর্ডের একটি জোরালো শটও দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন তিনি।
অন্যদিকে সাবেক বার্সা তারকা আঁতোয়ান গ্রিয়েজমানও গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। ১৮ মিনিটে রাশফোর্ড বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।
ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় প্রথমার্ধের শেষদিকে। ভিএআর যাচাইয়ের পর তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসিকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনে নেমে পড়া বার্সার জন্য এটি ছিল বড় ধাক্কা।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত গোল করে অ্যাতলেতিকোকে এগিয়ে দেন হুলিয়ান আলভারেজ।
দ্বিতীয়ার্ধে এক খেলোয়াড় কম নিয়েও আক্রমণ চালিয়ে যায় বার্সেলোনা। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় তারা। উল্টো ৭০ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে আলেক্সান্ডার সোরলথ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
পরিসংখ্যানে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা না পাওয়ায় হতাশ হতে হয়েছে বার্সাকে। অন্যদিকে কম সুযোগ পেয়েও সেগুলো কাজে লাগিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।
এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে ওঠার পথে বড় সুবিধা পেল অ্যাতলেতিকো। আর ঘরের মাঠে হারের পর দ্বিতীয় লেগে ঘুরে দাঁড়াতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল বার্সেলোনা।