স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রভাব খাটানো এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন—এমন অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলার ফরদাবাদ গ্রামের বাসিন্দা জামান মিয়া অভিযোগ করেন, তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে ভবন নির্মাণে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তাকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হয়েছে এবং একাধিকবার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে বলে তিনি জানান।
জামান মিয়া বলেন, 'আমার পৈত্রিক সম্পত্তিতে কাজ করতে গেলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কাগজপত্র থাকার পরও আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।'
অন্যদিকে, জামান মিয়ার স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, তাদের প্রবাসী ছেলেদের বাড়িতে আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, তারা দেশে ফিরলে ক্ষতির আশঙ্কা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তির উল্লেখযোগ্য কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই এবং তার আয়ের উৎস সম্পর্কেও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে, প্রাপ্ত নথিপত্র অনুযায়ী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলায় মোঃ নাছির উদ্দিনের নাম আসামি হিসেবে রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট মামলার কাগজপত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে। হত্যা মামলার আসামী হওয়ার পরেও কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কেনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব নিয়ে বিভিন্ন স্থরের মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এছাড়াও , উজানচর ইউনিয়নের তাজুল ইসলাম (ছোট তাজ) এর বাড়িতে গিয়ে চাদা দাবির করেন সে, এরপর বিষয়টি নিয়ে তাজুল ইসলাম ফেসবুক লাইভে এসে তার চাদাবাজির বিরুদ্ধে মুখ খুলেন। এবং প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করেন।
এছাড়া, একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে, নাসির উদ্দিন পূর্বে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ছিলেন এবং চাকরি ছাড়ার পর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোঃ নাছির উদ্দিনের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে এলাকায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে বলে তারা মনে করেন।