পুলিশ জানায়, নিহত মানবেন্দ্র সিং (৪৯) পেশায় ফার্মেসি ব্যবসায়ী ছিলেন। পাশাপাশি তার মদের ব্যবসাও ছিল। গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি)) থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ তার বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় বাড়ির ভেতর একটি ব্যারেলের মধ্যে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অক্ষত প্রতাপ সিংকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি বাবাকে গুলি করে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে কঠোর জেরায় মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার কথাও স্বীকার করেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অক্ষতকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চিকিৎসক হওয়ার জন্য চাপ দিতেন তার বাবা। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ লেগে থাকত। ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে অক্ষত রাইফেল দিয়ে বাবাকে গুলি করেন।

পরে মরদেহের কিছু অংশ প্লাস্টিকে ভরে পাশের একটি এলাকায় ফেলে দেন। অন্য কিছু অংশ একটি নীল ড্রামে রেখে বাড়ির ভেতরেই লুকিয়ে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অক্ষতের স্বীকারোক্তির পর ফরেনসিক দলকে নমুনা সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে অভিযান চলছে। বর্তমানে অভিযুক্ত অক্ষত পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
লখনৌর আশিয়ানা এলাকার সিনিয়র কর্মকর্তা বিক্রান্ত বীর জানান, প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আইনগত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।