শনিবার (২১ নভ্ম্বের) মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
মিনাওইর দাবি করা হত্যার সংখ্যাটি পূর্বের অনুমানের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এর আগে, সরকারি কর্মকর্তা ও মানবিক সংস্থাগুলো ২,৫০০ নাগরিকের মৃত্যুর অনুমান করেছিল।
গত অক্টোবরের শেষের দিকে সুদানি সেনাবাহিনী (এসএএফ) এল-ফাশার থেকে হঠাৎ সরে যাওয়ার পর শহরটি আরএসএফের দখলে আসে। এর আগে শহরটি ৫৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ ছিল।
শহর দখলের পরই গণহত্যা, নৃশংস নির্যাতন, নির্বিচার হত্যা, যৌন সহিংসতা ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর আসতে থাকে।
মানবিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানাচ্ছে, এত ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের মধ্যে খুব কম বেসামরিক মানুষ পালাতে সক্ষম হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার এল-ফাশারকে ‘চরম ভয়ের দৃশ্য’ এবং ‘অপরাধস্থল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গভর্নর মিনাওই উত্তর দারফুরের বাসিন্দা এবং আরএসএফের লক্ষ্যবস্তু হওয়া জাঘাওয়া সম্প্রদায়ের সদস্য। তিনি জানান, তার নিজের পরিবারের অনেককে হত্যা করা হয়েছে।