বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় উপস্থিত লাখ লাখ কর্মী ও জনতার উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, 'দেশের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তার একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।'
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের মানুষ আজ তাদের হারানো স্বাধীনতা ও কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।'
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, 'আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়বো।'
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, 'প্রায় দেড় যুগ ধরে দূর থেকেই তারেক রহমান দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বেই বিএনপি গণতন্ত্র উত্তরণের কঠিন পথ অতিক্রম করেছে।'
সকাল থেকেই রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে আগত লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে ৩০০ ফিট এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। মঞ্চে ওঠার পর তারেক রহমান হাত নেড়ে জনতাকে শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ‘বিজি-২০২’ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পরে কড়া নিরাপত্তায় বুলেটপ্রুফ বাসে করে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর ভালোবাসা ও অভিবাদনের মধ্য দিয়ে তিনি গণসংবর্ধনার মঞ্চে পৌঁছান।