বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তৌহিদ-বিন-হাসান। এ সময় তার বক্তব্যের ২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে মেহেদী আহমেদ বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে পরিকল্পিতভাবে হারানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা এবং দলের ভেতরের ‘গাদ্দারদের’ যোগসাজশে প্রায় ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে তাকে পরাজিত করা হয়। তার দাবি, তিনি প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ভোট পেয়েছিলেন।
নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'আমার বয়স ৭৩ বছর, প্রায় ৬০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি। অথচ অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করলেও প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না।'
নির্বাচনের সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিশেষ করে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে ‘গাদ্দারির’ অভিযোগ আনেন। একই সঙ্গে কুমারখালী ও খোকসা প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ করেন তিনি।
ওই নির্বাচনের ভোট গণনার জন্য হাইকোর্টে মামলা করেছেন উল্লেখ করে এই প্রার্থী বলেন, ‘হাইকোর্ট অ্যাকসেপ্ট করেছেন। ২৪ জুন শুনানি আছে। আমার বিশ্বাস, ভোট পুনর্গণনা হবে। আমি বিজয়ী হব।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলমসহ অন্যান্যরা।