দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার উত্তর–পূর্বে নরসিংদীর শিবপুর এলাকায়।
হঠাৎ কম্পন অনুভূত হওয়ায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘুম থেকে উঠে অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে বের হয়ে আসেন।
এর আগে, গত ২১ নভেম্বর ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান কম্পন অনুভূত হয়। এতে ঢাকা, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে মোট ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় দেশে হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে।
ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অবস্থান তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় বড় ধরনের ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ।
সাম্প্রতিক সময়ে ঘনঘন ভূমিকম্পের প্রসঙ্গে তারা বলেন, 'ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জরুরি প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করা এখন অত্যন্ত জরুরি।'