স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলটি পেশ করেছেন ইসরায়েলের বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন। মঙ্গলবার নেসেটে এ বিষয়ে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি ও বিরোধী—উভয় শিবিরের কয়েকটি দলই বিলটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন বলেন, 'যেহেতু মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পূর্ণ আইনগত ক্ষমতা রয়েছে, তাই এই দণ্ড কার্যকরও করা হবে। এই বিচারের আওতায় শতাধিক অভিযুক্ত রয়েছে এবং সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে।'
নেসেট সংবিধান কমিটির চেয়ারম্যান সিমচা রথম্যান বলেন, 'এই আইনের মাধ্যমে ইসরায়েলের শত্রুদের কাছে স্পষ্ট বার্তা যাচ্ছে যে রাষ্ট্র কোনো ধরনের সহিংসতা বা হামলা সহ্য করবে না।'
প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, বিশেষ সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বে আঘাত এবং সন্ত্রাসবাদসহ গুরুতর অভিযোগ আনা হবে। এছাড়া সাজাপ্রাপ্তদের বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি না দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।
এর আগে গত মার্চ মাসে সন্ত্রাসবাদের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে একটি আইন পাস করেছিল ইসরায়েল। তবে সেটি কার্যকর না হওয়ায় ৭ অক্টোবরের হামলার মামলায় নতুন এই বিল আনার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলে মৃত্যুদণ্ডের রায় খুবই বিরল। দেশটিতে সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ১৯৬২ সালে। নতুন বিলটি পাস হলে কয়েক দশক পর আবারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ খুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা