যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াই চললেও ২০৩০ বিশ্বকাপের ছয়টি দলের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। আয়োজক দেশের মর্যাদায় আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো আগামী আসরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলার সুযোগ পাবে।
এই ছয় দেশের মধ্যে চলমান বিশ্বকাপ থেকে ইতোমধ্যে উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে ও পর্তুগাল বিদায় নিয়েছে। তবে আয়োজক হওয়ায় ২০৩০ সালের আসরে তাদের বাছাইপর্ব পেরোতে হবে না।
তবে প্যারাগুয়ে ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রবার্ট হ্যারিসন জানিয়েছেন, আয়োজক দেশের মর্যাদা পেলেও আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অংশ নেবে। তাঁর ভাষ্য, তিন দেশই কনমেবল অঞ্চলের বাছাই প্রতিযোগিতায় খেলবে। একই সঙ্গে তিনি ইউরোপীয় নেশনস লিগের আদলে একটি নতুন প্রতিযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
১৯৩০ সালে উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওতে প্রথম পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই আসরের শতবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে ২০৩০ বিশ্বকাপে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে।
অন্যদিকে টুর্নামেন্টের মূল পর্বের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশজুড়ে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করা হবে।
এদিকে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল সংস্থার সভাপতি আলেহান্দ্রো দোমিঙ্গেস ফিফার কাছে বর্তমান ৪৮ দলের পরিবর্তে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। রবার্ট হ্যারিসন বলেন, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে প্যারাগুয়ে শুধু একটি ম্যাচ নয়, পুরো একটি গ্রুপপর্ব আয়োজনের সুযোগ পাবে।