তিনি জানান, ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের কারণে প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবনে না উঠে নিজের গুলশানের বাসাতেই অবস্থান করছেন। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি সপরিবারে এই বাসায় বসবাস করছেন এবং বাসাটি তার প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো-গুছানো রয়েছে।
তবে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের জন্য ‘যমুনা’ ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব। ইতোমধ্যে কূটনীতিক ও আলেম-ওলামাদের সম্মানে সেখানে দুটি ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ও ‘যমুনা’য় অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, প্রায় ১৭ বছর পর ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশে ফিরে তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনেই ওঠেন। তার পাশের ‘ফিরোজা’ নামের বাড়িটিতে বসবাস করতেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
১৯৬ নম্বর বাড়িটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তার সহধর্মিণী খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।
গত বছর বাড়িটির দলিলপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে খালেদা জিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু।
এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সংস্কার কাজ শেষ হলে ‘যমুনা’কেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। সে অনুযায়ী ভবনটি প্রস্তুতও করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে না ওঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।