মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের বক্তব্যের পর ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দিতে দাঁড়ান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, 'সংসদ সদস্য তার বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগের কথা বলেছেন। আমি সেই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কিছু সময় দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলও তখন দায়িত্বে ছিলেন। আমি নির্বাচনের অনেক আগেই পদত্যাগ করেছি। এখন তারা সরকারে আছেন, তাই অভিযোগের প্রমাণ তাদেরই দিতে হবে।'
নিজের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে নাহিদ বলেন, 'নাহিদ ইসলামের নামে কী দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে? কোথায় দুর্নীতি করেছি—আমি তার প্রমাণ চাই।'
এর আগে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবীনদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার বিষয়টি উল্লেখ করেন। এরই প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন নাহিদ।
বক্তব্যে নিজের বয়স ও সংসদ সদস্য হিসেবে অবস্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'আমার বয়স ২৮, আজ আমার জন্মদিন। আমি নবীন সদস্য হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছি। কারও ছোট ভাই হিসেবে এখানে আসিনি। তাই অন্যদের মতো আমরাও সমান সম্মান প্রত্যাশা করি।'
এ সময় স্পিকার জানান, ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দলীয় সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে নাহিদ ইসলামকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ তার বক্তব্যে বলেন, 'নতুন প্রজন্ম ও নতুন বাংলাদেশের কথা বললে, এ ধরনের অভিযোগ তারা আশা করে না।'
এর জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, 'বর্তমান সরকারে থাকা ব্যক্তিদেরই এসব অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে।'