বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রানকুইলাইজার গান দিয়ে বাঘটিকে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করা হয়। এরপর নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। বাঘটির সামনের বাম পা ফাঁদে আটকে ছিল, যার ফলে পায়ে গুরুতর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় চার থেকে পাঁচ দিন ধরে বাঘটি ওই ফাঁদে আটকে ছিল।
সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির জানান, উদ্ধার করা বাঘটিকে খুলনায় বনবিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাঘটি বর্তমানে অসুস্থ থাকায় তাকে ওষুধ ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। খুলনায় চিকিৎসা শেষে তার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরের পর বনবিভাগের কাছে খবর আসে, মোংলার শরকির খাল এলাকা থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার ভেতরে হরিণ শিকারের ফাঁদে একটি বাঘ আটকে রয়েছে। খবর পেয়ে উদ্ধারের জন্য রোববার ঢাকা থেকে ভেটেরিনারি সার্জনসহ বিশেষজ্ঞ দল সুন্দরবনে আসে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের খুলনা কার্যালয়ের মৎস্য বিশেষজ্ঞ ও স্মার্ট ডাটা কো-অর্ডিনেটর মফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, রোববার দুপুরে সফলভাবে বাঘটিকে অচেতন করে উদ্ধার করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।