শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে চরক্লার্ক ইউনিয়নের জনতা বাজার ইসলামিয়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মসজিদের খতিব এইচ এম ফজলুর রহমান।
খতিব এইচ এম ফজলুর রহমান বলেন, 'আমি খুতবায় কোনো দল বা ব্যক্তির পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলিনি। কোরআনের সুরা নিসার ৮৫ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করে ভোটকে আমানত হিসেবে উল্লেখ করে চোর-ডাকাত বা অসৎ লোককে নির্বাচিত না করে সৎ ও যোগ্য নেতাকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিলাম।'
তিনি আরও বলেন, 'খুতবার মাঝেই মসজিদের সভাপতি ওবায়দুল হক বাধা দেন। পরে বোরহান, ফুলমিয়া ও আরিফসহ কয়েকজন যুবক অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে মারধরের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আমি ন্যায়বিচার দাবি করছি।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুসল্লি বলেন, 'খতিবের বক্তব্যে জামায়াতকে ভোট দেওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে বিএনপিপন্থি কিছু মুসল্লি প্রতিবাদ করেন। তবে মসজিদের ভেতরে এমন আচরণ অনভিপ্রেত।'
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি ওবায়দুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সেক্রেটারি হুমায়ুন কবিরের মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত যুবকদের কেউ ফোন ধরেননি।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। খতিবের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকিব ওসমান বলেন, 'বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'