বিশ্লেষকদের মতে, জয়নুল আবেদীনের দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতা এবং সাংবিধানিক বিষয়ে পারদর্শিতা তাকে এই দৌড়ে এগিয়ে রাখছে। তিনি সুপ্রিম কোর্টে বহু বছর আইন পেশায় যুক্ত এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দলের নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সংসদীয় প্রক্রিয়া ও আইনগত দক্ষতার সমন্বয়ে তাকে স্পিকার পদে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত ড. আবদুল মঈন খানও সমানভাবে এই পদে দাবিদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কারণে দলের অভ্যন্তরে ও জনগণের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ নেতারা মন্ত্রিসভায় থাকলেও এই প্রবীণ নেতা এখনও সরকারের বাইরে রয়েছেন, যা তাকে নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনায় শক্তিশালী প্রার্থী করে তুলছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার পদটি শুধু সাংবিধানিক নয়, তা সংসদীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও কার্যপ্রণালী পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটের চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে আইন ও সংসদীয় অভিজ্ঞতার ওপর, যা সংসদ পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা নিশ্চিত করতে পারে।
রাজনৈতিক মহলে এই মুহূর্তে দুই নেতার সমান গুরুত্ব নিয়ে ভিন্নমুখী মত রয়েছে। কেউ জয়নুল আবেদীনকে কার্যকর আইনজ্ঞ হিসেবে সংসদ পরিচালনায় দক্ষ মনে করছেন, আবার অনেকে ড. আবদুল মঈন খানের প্রবীণ ও গ্রহণযোগ্য চরিত্রকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। সব কিছুই নির্ভর করছে দলীয় কৌশল এবং সংসদীয় সমীকরণের ওপর।
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন। তবে এবারের প্রক্রিয়ায় কিছুটা ব্যতিক্রম হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন।