বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।
আইনমন্ত্রী বলেন, 'দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে।'
এদিকে, বুধবার (২০ মে) গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুমে একটি বালতির ভেতর থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর শিশুটিকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় অভিযুক্তের স্ত্রী। পরে সেখানে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয় এবং হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্বজনরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির বিচ্ছিন্ন মাথাও উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্তের স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।