নারায়ণগঞ্জের নয়ামাটি ও সিদ্ধিরগঞ্জে ছুটে গিয়ে শহীদ শিশু রিয়া গোপ ও সুমাইয়ার
পরিবারের খোঁজখবর নিলেন সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ। একইসঙ্গে তিনি দিলেন কিছু
আবেগমাখা প্রতিশ্রুতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিফলন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত—যা
‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ নিহত ১১ নারী ও ১৩৫ শিশুকে নিয়ে জাতীয়ভাবে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
তৈরি করতে পারে।
উপদেষ্টা বলেন, “দেশের ইতিহাসে এই
প্রথমবার ১৩৫ জন শিশু ও ১১ জন নারী শহীদ হয়েছে। আমরা এটি মেনে নিয়েছি, স্বীকার
করেছি এবং তাদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য বদ্ধপরিকর।” এই বক্তব্যে স্পষ্ট
হয়, ‘জুলাই অভ্যুত্থান’–কে কেন্দ্র করে যেভাবে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়
আন্দোলনকারীদের উপর দমন-পীড়ন চালানো হয়, সেখানে শিশুরাও কোনভাবেই রেহাই পায়নি।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুই শিশু হলো—ছয়
বছর বয়সী রিয়া গোপ, যাকে এক ককটেল বিস্ফোরণে প্রাণ হারাতে হয়; এবং সুমাইয়া,
যিনি সিদ্ধিরগঞ্জের এক সংঘর্ষে নিহত হন তার মায়ের কোলে বসে থাকার সময়।