রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার দীর্ঘ ক্ষমতার পতনের পর রাজনৈতিক শূন্যতায় তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নির্বাচনী প্রচারে তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, ক্ষমতায় গেলে কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, এমন সাংবিধানিক সংস্কার আনা হবে। এছাড়া দরিদ্র পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি, দুর্নীতি দমন, এবং তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খেলনা ও চামড়াজাত পণ্যের মতো নতুন শিল্প বিকাশের মাধ্যমে অর্থনীতি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
রাজনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেবল এক দলের ক্ষমতায় আসা নয়, এটি দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করা এবং নিজেকে তরুণ প্রজন্মের কাছে নীতি-নির্ধারক হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টার কারণে মাঠপর্যায়ে বিএনপির শক্ত অবস্থান ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা জাগিয়েছে।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে, তারেক রহমানের ‘নির্বাসন থেকে ক্ষমতা’ পর্যন্ত যাত্রা কি চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে কি না।