সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, 'নতুন আইনের অধীনে এমন একটি বাহিনী গঠন করা হবে, যা মানবাধিকার সমুন্নত রেখে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এ বাহিনী বর্তমান র্যাবের সংস্কারকৃত কাঠামো হতে পারে, আবার নতুন নামেও আত্মপ্রকাশ করতে পারে। বিষয়টি এখনো সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো এলিট ফোর্সের ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হবে। আইনের মাধ্যমে বাহিনীর কর্তৃত্ব যেমন নির্ধারণ করা হবে, তেমনি তাদের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করা হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'অতীতে কয়েকজন কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাবের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির দায় পুরো প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক শাসনামলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের কারণেও এসব প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হয়েছে।'
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, 'আমরা আশা করছি, আগামী দিনে র্যাব মানবাধিকার সমুন্নত রেখে তাদের সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।'
র্যাবের নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। তবে যে নামেই বাহিনী পরিচালিত হোক না কেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর দায়িত্ব পালনের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।'