রোববার (২৪ মে) ঘটনাটি সামনে আসে। স্থানীয় গো-রক্ষা আন্দোলনের কর্মীরা ডাম্পিং ইয়ার্ডের ভয়াবহ পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়ে। পচে-গলে যাওয়া মৃতদেহ থেকে ছড়িয়ে পড়া তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন আশপাশের বাসিন্দারা। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ দেখা দেয়।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জনরোষের মুখে দ্রুত তৎপর হয়ে ওঠে স্থানীয় প্রশাসন। জয়সালমির পৌরসভার কমিশনার লাজপাল সিং সোধার নেতৃত্বে জনস্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে জেসিবি মেশিন এনে বড় গর্ত খুঁড়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মৃত গরুগুলো মাটিচাপা দেওয়ার কাজ শুরু হয়।
পৌর কমিশনার জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মৃত পশুগুলোকে যথাযথ নিয়ম মেনে সম্মানজনকভাবে সমাহিত করা হয়েছে, যাতে স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্গন্ধ ও দূষণের হাত থেকে রক্ষা পান।
এ ঘটনায় চরম অবহেলার অভিযোগে মৃত পশুর চামড়া ও হাড় অপসারণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার গোপারামের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত ও স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত করার কথাও জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জয়সালমিরের জেলা প্রশাসক অনুপমা জোরওয়াল পুরো বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।