জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের লংমার্চে দলীয় নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে এ কর্মসূচির কারণে জনভোগান্তি ও জ্বালানি অপচয় হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, লংমার্চ ঘিরে বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সড়কের দুই পাশে সাধারণ মানুষের ঢল নামেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট লংমার্চের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করলেও এতে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনি আরও দাবি করেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকট সম্পর্কে সাধারণ মানুষ যথেষ্ট অবগত।
বর্তমান সরকারের মেয়াদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার দায় যুক্ত করার প্রচেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সংসদ (সনদ) বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।
বিরোধী দলের ছয় দফা দাবির প্রতিও সাধারণ মানুষের তেমন আগ্রহ নেই বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তার অভিযোগ, লংমার্চের কারণে সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটছে এবং বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে। লংমার্চের কারণে এসব যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, কর্মসূচির কারণে রাষ্ট্রের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। তিনি লংমার্চকে দলীয় স্বার্থকেন্দ্রিক কর্মসূচি হিসেবে উল্লেখ করে এর মাধ্যমে জনগণের ওপর আন্দোলন চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে