শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বাড়ানো হয়েছে ছুটি। ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে নতুন করে ছুটি যুক্ত হওয়ায় দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীরা মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন। সাপ্তাহিক ছুটি ও অতিরিক্ত ছুটির সুযোগ মিলিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের ছুটির পরিধি আরও বাড়ছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্গাপূজার ছুটি ১৮ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা ছুটির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মীরা চাইলে মহাসপ্তমী ও মহাষ্টমী উপলক্ষে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটিও নিতে পারবেন। ফলে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাত দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ থাকছে তাদের।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির চিত্র
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময়সূচি প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা। মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এবং পরে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২৫ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজার ছুটি যুক্ত হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ পাবেন।
কলেজ ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এর আগে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এবং পরে ৩০ ও ৩১ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সংশ্লিষ্টদের ছুটির সময় আরও দীর্ঘ হবে।
অন্যদিকে, ইবতেদায়ি ও এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলোতে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত হওয়ায় নিজ নিজ একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দুর্গাপূজার ছুটির সময় নির্ধারণ করবে।
ব্যাংক ও জরুরি সেবায় ভিন্ন ব্যবস্থা
দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির দিনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে এটিএম, অনলাইন ব্যাংকিংসহ নির্দিষ্ট ডিজিটাল সেবা চালু রাখার ব্যবস্থা থাকবে।
তবে হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহসহ জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবে না। জনসেবা স্বাভাবিক রাখতে এসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইভাবে গণমাধ্যমের মতো জরুরি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদেরও প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সদ্য সংবাদ/এসকে