জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই পক্ষের জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ মিললে বৈঠকটি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকালে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। তবে সফরের বিভিন্ন কর্মসূচির ফাঁকে বৈঠকের সুযোগ তৈরি হলে তা হতে পারে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন কবির। তখন তিনি বলেছিলেন, জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠক ও সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং সেগুলোর সময়সূচি শেষ মুহূর্তেও চূড়ান্ত হতে পারে।
এদিকে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তার প্রথম ভাষণ।
নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে মোটর শোভাযাত্রায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে, সফরকালে সেখানেই তার অবস্থানের কথা রয়েছে।
সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি। ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিবের দেওয়া স্বাগত নাশতা ও সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী আয়োজনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সংবর্ধনাতেও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের সময়সূচি এখনো নিশ্চিত হয়নি। দুই পক্ষের কর্মসূচির সঙ্গে সময় ও সুযোগ মিললে সেই বৈঠক হতে পারে- এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
সদ্য সংবাদ/এসকে