প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। সার্বিকভাবে এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। তবে শিক্ষা বোর্ডভেদে ফলাফলে দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। কোনো বোর্ডে পাসের হার ৬০ শতাংশ ছাড়ালেও কয়েকটি বোর্ডে তা নেমে এসেছে ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার সারাদেশে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। কুমিল্লা বোর্ডে এ হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হিসাবেও বোর্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিন্নতা। ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। রাজশাহী বোর্ডে এ সংখ্যা ৪ হাজার ৫২০। যশোর বোর্ডে ৩ হাজার ২২৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২ হাজার ৯২৯ এবং দিনাজপুর বোর্ডে ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন করেছেন।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে ২ হাজার ১৩৭, কুমিল্লা বোর্ডে ১ হাজার ৩১৩ এবং সিলেট বোর্ডে ১ হাজার ২০৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বরিশাল বোর্ডের ক্ষেত্রে প্রকাশিত তথ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়ে অসংগতি রয়েছে; তাই চূড়ান্ত সংখ্যা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের মূল ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
মোবাইলেই জানা যাচ্ছে ফলাফল
পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসেই মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে ফলাফল জানতে পারবেন। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস, বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
এ ছাড়া educationboardresults.gov.bd এবং eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও ফলাফল দেখা যাবে। নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এতে অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। তবে পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী।
সদ্য সংবাদ/এসএস