মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী এলাকার কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি।
এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকারভোগীরা সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলা, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে হতদরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে নিশ্চিত করা হয়।
ডাবল ডিপিং বা একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়ার মতো বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এই প্রকল্পে পরিবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবারের নারীপ্রধানদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো যায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি ভাতা প্রদান করা হলে মাঝপথে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সহায়তা পাবেন।'