মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
জামায়াত আমির বলেন, 'শ্রদ্ধা রেখেই তিনি বক্তব্য দিচ্ছেন, তবে নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যের অবদান খাটো করার অধিকার কারও নেই। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।'
তিনি অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান তার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন।
শফিকুর রহমান বলেন, 'আমি কোন দল করবো, কোন আদর্শ অনুসরণ করবো—এটা আমার ব্যক্তিগত ও সাংবিধানিক অধিকার। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম অধিকার রাষ্ট্র বা সংবিধান কাউকে দেয়নি।'
তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, 'ফজলুর রহমানের বক্তব্যের ‘অসংসদীয় অংশ’ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার (এক্সপাঞ্জ) আহ্বান জানাই।'
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, 'একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ প্রত্যাশিত নয়। কাউকে আঘাত করা বা গালিগালাজের মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন সম্ভব নয়। সাধারণত যুক্তি ফুরিয়ে গেলে মানুষ রেগে যায়। একটি প্রবাদ আছে—রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না, জিততে চাই।'
তিনি আরও বলেন, 'সবাই ঠান্ডা মাথায় যুক্তিনির্ভর ও সত্যভিত্তিক আলোচনা করলে সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং দেশবাসী উজ্জীবিত হবে।'
পরে স্পিকার বলেন, 'ফজলুর রহমানের বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হবে। একইভাবে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যেও অসংসদীয় অংশ থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।'