উদ্ধার করা জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সর্বাধিক, ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার। এছাড়া, অকটেন ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার এবং পেট্রল ৭০ হাজার ৫৪ লিটার জব্দ করা হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানায়, অবৈধ মজুত, পাচার এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে দেশব্যাপী এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিভাগ আরও জানায়, বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।