দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: আবদুল হামিদ (৭৫), মো. তানভীর (৪২), গোলাম রাব্বী (২৩), মেহেদী হাসান (৪০), মো. শামসুদ্দিন (৭৪) ও গোলাম শহীদ (৫০)।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ছয়টি মোবাইল ফোন, ২৫ হাজার টাকা, একটি হিসাবের খাতা এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত হিসাবের খাতায় বিভিন্ন মহল্লায় কবে, কোথায় এবং কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, এমন বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল সোমবার গভীর রাতে বগাজান এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করা হয়। সেখানে প্রায় ৩০ জনের একটি দল থাকলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। আটক সাতজনের মধ্যে ছয়জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার মায়ের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম কাউসার জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, 'ময়মনসিংহ-১১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর পক্ষে টাকা বিতরণের সময় ছয়জনকে আটক করে সাজা দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা হিসাবের খাতায় কোন মহল্লায় কবে ও কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার তথ্য রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।'
এ বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাসুদ বলেন, 'ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেই।'