মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য এভাবে আড়াল হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ বলেন, 'বিলবোর্ডটি অল্প কয়েক দিনের জন্য লাগানো হয়েছিল। যেহেতু এ নিয়ে আপত্তি উঠেছে, আমরা দ্রুতই এটি সরিয়ে ফেলব।'
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। ভাস্কর্যটি যাতে দৃশ্যমান থাকে, সে জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।