প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে রুমিন ফারহানা সংসদকে বলেন, ‘গতকাল মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে । বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমেরিকার সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে, সেই বিষয়ে বেশ কিছু কথা বলেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো মার্কিন রাষ্ট্রদূত তুলে ধরেন।’
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, 'আমরা জানি, ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তখন বাংলাদেশের যারা সুশীল সমাজ আছেন, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আছেন, তারা বারবার বলেছেন যে একটি অনির্বাচিত সরকার এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে না। এই চুক্তিতে অনেকগুলো শর্ত আছে, যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুনলো না এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’