পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৪ মে) নগরের লবণচরা থানার কোবা মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় তিনি পেটে গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি কখন এবং কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটি রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, 'লবণচরা থানার একটি দল চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় যাওয়ার পথে কুদির বটতলা এলাকায় গুলির ঘটনার কথা জানায় এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা চায়। পরে পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে তাঁদের থানা এলাকা পার করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। গুলি অ্যাম্বুলেন্সে লেগেছিল কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।'
লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, 'রাজুর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা এখনো স্পষ্ট নয়। তাঁকে রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাওয়া যায় এবং তাঁর পেটে গুলির চিহ্ন ছিল। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।'