জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহত সবাইকে রাষ্ট্র যথাযথ মূল্যায়ন করবে। একই সঙ্গে স্বৈরাচারের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি জানান। দেশকে এগিয়ে নিতে বিভক্তির পরিবর্তে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলনে’ অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত ও আহত হয়েছেন, তারা সবাই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন পাবেন।
তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সম্মেলনের শুরুতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনরা বক্তব্য দেন। প্রিয়জন হারানোর বেদনা তুলে ধরে তারা গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। তারা অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনকে ব্যবহার করে একটি মহল নানা ধরনের সুবিধা নিয়েছে। আন্দোলনের চেতনাকে পণ্য না বানিয়ে তা ধারণ করার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আশুলিয়া, চাঁনখারপুল, রামপুরা, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ীসহ ২০২৪ সালের বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারকাজ শিগগিরই শুরু হবে।