২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কারের দাবীতে আন্দোলন শুরু হলে নারায়ণগঞ্জে শিক্ষার্থীদের পাশ থেকে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগীতা করতে থাকেন দিপু ভূঁইয়া ও তার নেতাকর্মীরা। নারায়ণগঞ্জে দিপুর নির্দেশে শহরের চাষাঢ়া, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড, চিটাগাং রোড, রূপগঞ্জ ও আশেপাশের এলাকায় আন্দোলন সংগঠিত করতে কাজ করে ছাত্রদল।
এসময় ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে দলের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হন দিপু। শিক্ষার্থীদের সাথে একই কাতারে মাঠে থেকে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই বিএনপি নেতা।
আন্দোলনের চূড়ান্ত সময়ে এসে সাইনবোর্ড, পোস্তগোলার মত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে অবস্থান নেয় দিপু ভূইয়ার সমর্থকরা। এসময় সাইনবোর্ড এলাকায় দিপু ভূইয়া নিজে মাঠে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ৩ থেকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত সাইনবোর্ড ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করেন তিনি।
৩ আগষ্ট থেকেই রূপগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহর ও ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের আশেপাশের এলাকায় ছোট ছোট গ্রুপে অবস্থা নেন দিপু ভূইয়া ও তার সমর্থকেরা।
গত ৪ আগষ্ট নারায়ণগঞ্জে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নানান হুমকি ধমকি দিতে থাকলে কয়েক শত নেতাকর্মী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রবেশ করেন দিপু ভূইয়া। এসময় নেতাকর্মীদের দিয়ে মানবঢাল তৈরী করে চাষাঢ়ার চারিদিকে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি তাদের জন্য খাবার ও পানির ব্যাবস্থা করেন তিনি।
সরকার পতনের দিন ৫ আগষ্ট মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতেও দিপু ভূইয়া ও তার নেতাকর্মীদের ব্যাপক ভাবে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। এসময় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন দিপু ভূইয়া ও তার কর্মী সমর্থকেরা।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিগত ১৬ বছর একটানা মাঠে ছিলেন দিপু। আগলে রেখেছিলেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীদের। স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনেও বিজয় ছিনিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন দিপু ভূঁইয়ার মত তরুণ নেতারা।